
সম্প্রতি কানাডার মন্ট্রিল ইউনিভার্সিটি (Université de Montréal বা UdeM) এর Trottier Institute for Research on Exoplanets এর জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল একটি ছোট নক্ষত্রের চারপাশে ঘূর্ণায়মান একটি গ্রহ বা নতুন নাতিশীতোষ্ণ জগত আবিষ্কার করেছেন । Merrin S. Peterson গ্রহটি আবিষ্কারের নেতৃত্ব দেন । আবিষ্কৃত গ্রহটি হচ্ছে একটি বহিঃসৌর মহাপৃথিবী (Super Earth Exoplanet) । আমাদের সৌরজগতের বাইরে অপার মহাবিশ্বে খুঁজে পাওয়া গ্রহগুলোকেই বহিঃসৌর গ্রহ (Exoplanet) বলে । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বহিঃসৌর গ্রহ শনাক্তের পর থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজার চারশত ঊনিশটি বহিঃসৌর গ্রহ আবিষ্কার করেছেন । এদের মধ্যে Kepler-22 b এর মতো কিছু গ্রহ রয়েছে, যেগুলোতে প্রাণের অস্তিত্ব না থাকলেও প্রাণ বা জীবন ধারণের মতো উপযোগী পরিবেশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে । যাই হোক, নব্য গ্রহটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে LP 791-18 d হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে । তবে আইসল্যান্ডের রাজধানীর সম্মানে এর আরেকটি নাম রয়েছে: রেইকজাভিক (Reykjavik) ৷ মহাকাশীয় দেহ এবং এর আগ্নেয়গিরির গঠন সম্পর্কে গবেষণা দলের তত্ত্ব থেকে এর ডাকনামটি এসেছে । এ গ্রহটি আমাদের সৌরজগতের আগ্নেয়গিরির সক্রিয় দেহ বৃহস্পতি গ্রহের চাঁদ আইও (Io) এর মতো প্রায়ই আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে যায় বা অভিজ্ঞতা অনুভব করে । তার মানে, সমস্ত গ্রহ জুড়েই রয়েছে ভয়ঙ্কর আগ্নেয়গিরি । বৃহস্পতি গ্রহের তৃতীয় বৃহত্তম চাঁদ আইও হচ্ছে আগ্নেয়গিরির মহাকাশীয় বস্তু যা আমাদের সৌরজগতে । আইও চাঁদ সৌরজগতে সবচেয়ে আগ্নেয়গিরিগতভাবে সক্রিয় দেহ । এর বায়ুমণ্ডল সালফার ডাই অক্সাইড দ্বারা গঠিত । অন্যান্য বস্তুর তুলনায় এর ঘনত্ব বেশি এবং কম জলের অণু রয়েছে । আইও চাঁদের ব্যাস প্রায় ৩৬৪৩ কিলোমিটার । বিজ্ঞানীরা আইও চাঁদে প্রায় চার শতটিরও বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আবিষ্কার করেছেন এবং এগুলো গরম সিলিকেট ম্যাগমা দ্বারা চালিত । আগ্নেয়গিরিগুলো যে কোনো মুহূর্তে বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নুৎপাত সৃষ্টি করে লাভা ছড়িয়ে দেয় এবং এর পৃষ্ঠটি তাদের উৎস থেকে শত শত কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লাভা প্রবাহে আবৃত থাকে । আইও চাঁদ পৃথিবীর চাঁদের চেয়ে সামান্য বড় এবং ধ্রবক যন্ত্রণা একটি জগৎ । বিশাল বৃহস্পতি গ্রহই যে কেবল শুধু মহাকর্ষীয়ভাবে আইও চাঁদকে চিরতরে কাছে টানছে তা কিন্তু নয়, আইও চাঁদের গ্যালিলিয়ান ভাইবোনরাও – ইউরোপা এবং গ্যানিমিড । জ্বলন্ত আইও চাঁদ ক্রমাগত প্রসারিত এবং চেপে যাচ্ছে, লাভা সৃষ্টির সাথে যুক্ত ক্রিয়াগুলো এর অনেকগুলো আগ্নেয়গিরি থেকে বিস্ফোরিত হতে দেখা যায় ৷ আমাদের অন্তর্দৃষ্টির বিপরীতে LP 791-18 d গ্রহের আগ্নেয়গিরিই একমাত্র জিনিস হতে পারে যা সেখানে যে কোনো প্রাণ বা জীবনকে লড়াই করার সুযোগ দেয় । এ আগ্নেয়গিরিময় বহিঃসৌর গ্রহটি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ‘নেচার’ (Nature) এর একটি গবেষণাপত্রে গত ১৭ই মে ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কারের বর্ণনা প্রকাশিত হয়েছে । আবিষ্কৃত LP 791-18 d গ্রহটি একটি ছোট লাল বামন কেন্দ্রীয় নক্ষত্র LP 791- 18 কে প্রদক্ষিণ করছে প্রায় ৯০ আলোকবর্ষ দূরে Crater এর দক্ষিণ নক্ষত্রমণ্ডলে । যেটি আকাশগঙ্গা ছায়াপথের পাশের একটি ছায়াপথে অবস্থিত । M-type এর এ নক্ষত্রটি TOI-736 বা TIC 181804752 নামেও পরিচিত এবং আমাদের সূর্যের চেয়ে অনেক ছোট ও কম উজ্জ্বল । সদ্য আবিষ্কৃত বহিঃসৌর LP 791-18 d গ্রহটিই একমাত্র গ্রহ নয় যেটি ঐ বামন নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে ৷ এটি ছাড়া আরো দুটি গ্রহও একই নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে পরিভ্রমণ করছে । উল্লেখ্য যে, আমাদের সৌরজগতের বাইরে একটি অতিশীতল লাল বামন (Ultracool Red Dwarf বা M dwarf) TRAPPIST-1 নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে পৃথিবী বা তারচেয়েও বৃহদাকার সাতটি বহিঃসৌর পাথুরে গ্রহ প্রদক্ষিণ করছে । TRAPPIST-1 System বা গ্রহতন্ত্রের অধিকর্তা হচ্ছে TRAPPIST-1 লাল বামন নক্ষত্রটি । সেখানেই তার সৌরজগৎ । সম্ভবত LP 791-18 নক্ষত্রটিরও তেমনই একটি নিজস্ব সৌরজগৎ রয়েছে । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নতুন গ্রহটি আবিষ্কারের আগে গত ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে Transiting Exoplanet Survey Satellite (TESS) উপগ্রহ দ্বারা LP 791-18 System বা গ্রহতন্ত্রে (বহু গ্রহীয় ব্যবস্থায়) আরো দুটি গ্রহকে সনাক্ত করেন । গ্রহগুলো LP 791-18 b এবং LP 791-18 c নামে পরিচিত । এ গ্রহতন্ত্রে অভ্যন্তরীণ গ্রহ b হচ্ছে পৃথিবীর চেয়ে প্রায় শতকরা ২০ ভাগ বড় এবং নক্ষত্রটিকে একদিনেরও কম সময়ে প্রদক্ষিণ করে । বাইরের গ্রহ c হচ্ছে বৃহত্তম গ্রহ । পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ২.৫ গুণ বড় এবং ভর ০৭ গুণেরও বেশি । এর পরিক্রমণ সময়কাল প্রায় পাঁচ দিন এবং বায়ুমণ্ডল থাকতে পারে । এটি সম্ভবত নেপচুনের সংমিশ্রণের মতো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে গ্যাস বা হালকা পদার্থ ধরে রেখেছে । এছাড়া আবিষ্কৃত LP 791-18 d গ্রহটি তার পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে ছোট (তৃতীয় গ্রহ) । গ্রহটির ১.০৩ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এবং ১.৪৬ পৃথিবীর ভর । এর তাপমাত্রা প্রায় ২৭ থেকে ১২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৮১ – ২৬১ ডিগ্রি ফারেনহাইট), যেখানে স্থায়ী রাতের দিকের তাপমাত্রা সম্ভবত জল ঘনীভবনের জন্য অনুমতি দেয় । গ্রহটি তার কেন্দ্রীয় নক্ষত্রের একটি কক্ষপথ সম্পূর্ণ করতে ২.৮ দিন সময় নেয় এবং নক্ষত্র থেকে এর কাক্ষিক ব্যাসার্ধ ০.০০৯৬৯ AU । গ্রহের তাপমাত্রা পৃথিবীর তুলনায় সামান্য বেশি । নক্ষত্র থেকে মধ্যবর্তী দূরত্বে b এবং c গ্রহের মধ্যে কক্ষপথে ঘুরছে । বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে পৃথিবী, শুক্র কিংবা শনির চাঁদ টাইটানের মতোই একটি বায়ুমণ্ডল LP 791-18 d গ্রহে থাকতে পারে । কেন্দ্রীয় নক্ষত্রটির বসবাসযোগ্য অঞ্চলের (Habitable Zone) অভ্যন্তরীণ প্রান্তের কাছে এ বহিঃসৌর গ্রহটি প্রদক্ষিণ করার ফলে ধারণা করা হয় যে, এখানকার অনুকূল তাপমাত্রায় গ্রহটির পৃষ্ঠে জল ধরে রাখার সক্ষমতা রয়েছে । এ অঞ্চলটি Goldilocks Zone নামেও পরিচিত । কারণ এ স্থানের গ্রহগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা থাকে না । সেজন্য এ স্থানকে সৌরজগতের (বাইরেও) বসবাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হয় । তবে এটিও মনে রাখতে হবে যে, কোনো গ্রহ তার কেন্দ্রীয় বা মূল নক্ষত্রের (Host Star) বসবাসযোগ্য অঞ্চলে থাকা মানেই এ নয় যে, ঐ গ্রহটিও প্রাণের বসবাসযোগ্য হবে । কারণ, মঙ্গল গ্রহও কিন্তু নিজের মূল নক্ষত্র সূর্যের বসবাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থান করছে । তবুও মঙ্গলে এখন পর্যন্ত প্রাণের অস্তিত্বের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি । আমাদের এ সবুজ পৃথিবীও সূর্যের বসবাসযোগ্য অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত । কিন্তু আমরা এ সুন্দর পৃথিবীতে প্রাণ খুলে বসবাস করছি ৷ উল্লেখ্য যে, কোনো গ্রহ নিজের মূল নক্ষত্র থেকে যে দূরত্বে থাকে সেখানে প্রাণ বেড়ে উঠার জন্য যে উপযুক্ত তাপমাত্রা বিরাজ করে বা আদর্শ পরিবেশগত অবস্থা বজায় থাকে তাকে বসবাসযোগ্য অঞ্চল (Habitable Zone) বলে । যদি সেখানে কোনো জলের অস্তিত্ব থাকে তাহলে গ্রহটি পৃথিবীর সহযোগী বা সমকক্ষ হতে পারে । এতে করে সেখানে বসবাসের জন্য প্রবল সম্ভাবনা থাকে । তবে, এখনো পর্যন্ত LP 791-18 d গ্রহে প্রাণের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি । এরপরও যদি সেখানে যে কোনো প্রাণ বা জীবন, স্থানীয় পরক (Alien) বা আক্রমণাত্মক মানব অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকে তাহলে এর যে কোনোটিকেই মোটামুটি রুক্ষভাবে যেতে হবে । প্রতিটি কক্ষপথের সময় LP 791-18 d এবং c গ্রহ দুটি একে অপরের খুব কাছাকাছি চলে আসে । মূল নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণন অতিক্রম (Pass) করার সময় বিশাল c গ্রহটি দ্বারা LP 791-18 d গ্রহের উপর একটি মহাকর্ষীয় জোর টান বা হেঁচকা (Tug) সৃষ্টি করে । ফলে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথ তৈরি হয় এবং সেখানেই আসল জাদু শুরু করে । এ উপবৃত্তাকার পথে LP 791-18 d গ্রহটি প্রতিবার নক্ষত্রের চারপাশে পরিভ্রমণ করার সময় কিছুটা বিকৃত হয় । গ্রহটিকে নক্ষত্র থেকে মাঝে মাঝে কাছাকাছি এবং দূরে নিয়ে আসে । নক্ষত্র এবং c গ্রহ থেকে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল ধাক্কা এবং টানের কারণে গ্রহের অভ্যন্তরে ঘর্ষণ তৈরি হয় । গ্রহে জোয়ারের উত্তাপ দ্বারা উৎপন্ন ঘর্ষণটি এর অভ্যন্তরকে যথেষ্ট পরিমাণে উত্তপ্ত করে ৷ ফলে শেষ পর্যন্ত উপতলে ম্যাগমা মহাসাগরের অস্তিত্বকে সক্ষম করে এবং গ্রহের পৃষ্ঠে আগ্নেয়গিরির ভয়ঙ্কর কার্যকলাপ তৈরি করতে পারে । আমাদের সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ বৃহস্পতি এবং এর কয়েকটি চাঁদ একইভাবে আইও (Io) চাঁদকে প্রভাবিত করে । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেন যে, বৃহস্পতির চাঁদে অগ্ন্যুৎপাতের কম্পাঙ্কের কারণে বৃহস্পতি গ্রহেও অগ্ন্যুৎপাত ঘটে । নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটির এক দিক সর্বদা নক্ষত্রের মুখোমুখি হওয়ার কারণে পরিবেশ খুবই উত্তপ্ত । এতে করে সেখানে জলের সম্ভাবনা কম । Université de Montréal (UdeM) এর পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক Björn Benneke বলেন, “এটি একটি অসাধারণ আবিষ্কার এবং পৃথিবীর বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে এর সাদৃশ্য রয়েছে । সম্ভবত একটি বহুগ্রহীয় ব্যবস্থায় গ্রহটি আগ্নেয়গিরিতে আচ্ছাদিত ৷ এটি শুধুমাত্র জ্যোতির্বিদ্যাই নয়- বিজ্ঞানের অন্যান্য অনেক ক্ষেত্র বিশেষ করে ভূতত্ত্ব, গ্রহ বিজ্ঞান, বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান এবং সম্ভবত জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতির অভূতপূর্ব সুযোগ প্রদান করে । সেই সাথে এটিতে সনাক্তযোগ্য ভূতাত্ত্বিক কার্যকলাপ এবং আগ্নেয়গিরির সম্ভাবনা যা স্থলজগতগুলো কিভাবে উৎপত্তি, গঠন ও বিকশিত হয় তা আরো ভালোভাবে বোঝার জন্য একটি মূল বিষয় করে তোলে । LP 791-18 d গ্রহটি সম্ভবত জোয়ারের সাথে তালাবদ্ধ (Tidally locked) থাকে । যার মানে একই দিক ক্রমাগত তার নক্ষত্রের মুখোমুখি হয় । গ্রহ পৃষ্ঠে তরল জলের অস্তিত্বের জন্য দিনের দিকটি সম্ভবত খুব গরম হবে । কিন্তু আমরা যে পরিমাণ আগ্নেয়গিরির ক্রিয়াকলাপ সন্দেহ করি সমগ্র গ্রহ জুড়ে ঘটে তা একটি বায়ুমণ্ডল বজায় রাখতে পারে, যা রাতের দিকে তাপমাত্রা গ্রহ পৃষ্ঠের জলকে ঘনীভূত করার জন্য যথেষ্ট ঠান্ডা হতে পারে ।” বহিঃসৌর এ মহাপৃথিবীটি নিজ অবস্থানে পরিভ্রমণ করে না । অর্থাৎ এক স্থানে সর্বদা দিন এবং অপর স্থানে সর্বদা রাত থাকে, যেখানে আইও চাঁদেরও এমন অবস্থান । জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নাসা (NASA) এর Transiting Exoplanet Survey Satellite (TESS) উপগ্রহ ও স্পিটজার মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র (Spitzer Space Telescope) থেকে বিভিন্ন তথ্যাবলী এবং স্থল-ভিত্তিক মানমন্দিরগুলোর অনুচরবৃন্দ ব্যবহার করে LP 791-18 d গ্রহটি আবিষ্কার করেন । স্পিটজার মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র নক্ষত্রের অবলোহিত আলোকে কিছুটা ম্লান দেখেছিল যখন গ্রহটি তার চাকতির সামনে দিয়ে যায়, এ ঘটনাটিকে ট্রানজিট (Transit) বলা হয় । ইউনিভার্সিটি ডি মন্ট্রিল (Université de Montréal) এবং নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি (New York University) আবুধাবি এর একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী Dr. Mohamad Ali-Dib বলেন, “বাসযোগ্য অঞ্চলে একটি পৃথিবী আকারের গ্রহের আবিষ্কার যেটি সম্ভাব্য আগ্নেয়গিরিগতভাবে সক্রিয় তা সৌরজগতের বাইরে প্রাণের সন্ধানে একটি বিশাল পদক্ষেপ । পরবর্তী ধাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীন সংস্থা ”জাতীয় বিমানচালনা ও মহাকাশ প্রশাসন” (NASA) এর জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র [James Webb Space Telescope (JWST)] ব্যবহার করে গ্রহতন্ত্র বা বহুগ্রহীয় ব্যবস্থায় নানা পর্যবেক্ষণ এবং এর বায়ুমণ্ডল সনাক্ত করা সম্ভব হবে ।”
তথ্যসূত্র: https://euro.eseuro.com/ , https://www.sci.news/ , https://astrobiology.com/ , আন্তর্জাল (The Internet) ।
ছবি: https://www.sci.news/ (NASA’s Goddard Space Flight Center / Chris Smith, KRBwyle) ।



