Tuesday, 31 March 2026

প্রতিধ্বনি


ক্রিস্টিনা জর্জিনা রোসেটি (Christina Georgina Rossetti) ছিলেন একজন ইংরেজ লেখিকা যিনি রোমাঞ্চকর, ভক্তিমূলক এবং শিশুদের জন্য কবিতা লিখতেন । তার জন্ম ৫ই ডিসেম্বর ১৮৩০ খ্রিঃ এবং মৃত্যু ২৯শে ডিসেম্বর ১৮৯৪ খ্রিঃ । ক্রিস্টিনা রোসেটি ভিক্টোরীয় যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ কবিদের মধ্যে একজন । তার দৃষ্টিভঙ্গির গভীরতা, কথ্য ভাষার শৈলী এবং কবিতার গীতিময় গুণ আজও আমাদের কাছে শক্তিশালী আবেদন রাখে এবং অনুপ্রাণিত করে । তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে Goblin Market এবং Remember । এই বিখ্যাত "প্রতিধ্বনি" (Echo) কবিতাটি হচ্ছে তার একটি অনন্য সৃষ্টিকর্ম । ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে এই অসাধারণ কবিতাটি প্রকাশিত হয় । প্রতিধ্বনি একটি বিষাদপূর্ণ প্রেমের কবিতা, যা হারানো ভালোবাসাকে স্বপ্নে ফিরে পাওয়ার আকুতি প্রকাশ করে । ক্রিস্টিনা রোসেটি জীবনের একটি সময় বিষণ্ণতায় ভুগেছিলেন । ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিয়ে করেননি । নিজের জীবনকে কবিতা ও ধর্মীয় বিশ্বাসে উৎসর্গ করেছিলেন । 

 ছবি: www.goodreads.com । 

তথ্যসূত্র: English literature 

---------------------

 "Echo" 

 by Christina Rossetti 


Come to me in the silence of the night;

Come in the speaking silence of a dream;

Come with soft rounded cheeks and eyes as bright

As sunlight on a stream;

Come back in tears,

O memory, hope, love of finished years.

Oh dream how sweet, too sweet, too bitter sweet,

Whose wakening should have been in Paradise,

Where souls brimfull of love abide and meet;

Where thirsting longing eyes

Watch the slow door

That opening, letting in, lets out no more.

Yet come to me in dreams, that I may live

 My very life again tho’ cold in death:

Come back to me in dreams, that I may give

Pulse for pulse, breath for breath:

 Speak  low, lean low,

As long ago, my love, how long ago. 


Poetry Link: 

https://www.poetryfoundation.org/poems/50289/echo-56d22d3f77136 

https://poets.org/poem/echo 

------------------

প্রতিধ্বনি 

কবি: ক্রিস্টিনা রোসেটি 

অনুবাদ: মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল 


রাতের নিস্তব্ধতায় আমার কাছে এসো;

স্বপ্নে কথা বলার নীরবতায় এসো;

কোমল ভরাট গাল এবং উজ্জ্বল চোখ নিয়ে এসো

স্রোতের উপর সূর্যের আলোর মত;

অশ্রুসজল চোখে ফিরে এসো,

হে স্মৃতি, আশা, বিগত বছরগুলোর প্রেম ।

ওহ্ স্বপ্ন, কি মধুর, বড্ড মিষ্টি, খুব বেশি তিক্ত-মধুর, 

যার জাগরণ স্বর্গে হওয়া উচিত ছিল, 

যেখানে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ আত্মারা বাস করে আর মিলিত হয়;

যেখানে তৃষ্ণার্ত আকুল চোখ

ধীর গতির দরজাটি দেখে 

যে খোলা পথ দিয়ে ভেতরে ঢোকা যায়, বের হওয়া যায় না । 

তবুও স্বপ্নে আমার কাছে এসো, যেন আমি বাঁচতে পারি 

মৃত্যুর শীতলতায় জমে গেলেও আমার প্রাণ আবার জেগে উঠবে: 

স্বপ্নে আমার কাছে ফিরে এসো, যাতে আমি দিতে পারি 

প্রতিটি স্পন্দনের জন্য স্পন্দন, নিঃশ্বাসের জন্য নিঃশ্বাস:

আস্তে কথা বলো, নিচু হয়ে ঝুঁকে বসো,

কত যে আগে, আমার প্রিয়তম, কত দিন আগের কথা ।


Wednesday, 11 March 2026

তুষার পরী (Snow fairy)



জাপানি তুষার পরী বা শিমা এনাগা (Shima Enaga, বৈজ্ঞানিক নাম: Aegithalos caudatus caudatus) হচ্ছে অবিশ্বাস্য সুন্দর, ক্ষুদ্র এবং তুলতুলে একটি পাখি, যেটি বেশিরভাগই জাপানের উত্তর দ্বীপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত হোক্কাইডো বনে পাওয়া যায় । তবে, এটি সমগ্র প্যালিয়াট্রিক রাজ্যে বাস করে । বিশুদ্ধ সাদা গোলাকার মুখমণ্ডল, পুঁতির মত কালো চোখ, ছোট ঠোঁট এবং এক লম্বা লেজের জন্য সে বিখ্যাত । অনুপ্রেরণার প্রতীক । এটিকে কখনো কখনো 'Bouncy cotton ball' হিসেবে বর্ননা করা হয় । এই চমৎকার "ডানাওয়ালা তুষারগোলক" পাখিটি শীতকালীন জঙ্গলে বেড়ে ওঠে, যা হোক্কাইডোর বনে এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিদর্শন । মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যের অধিকারী এই পাখি অত্যন্ত তুলতুলে হয়, বিশেষ করে শীতকালে এর ঘন পালক তাকে প্রচণ্ড ঠান্ডা তাপমাত্রা সহ্য করতে সাহায্য করে । শিমা এনাগা হচ্ছে খুবই লাজুক, চটপটে, কৌশলে পলায়ন করা স্বভাব এবং গানের পাখি । বেশিরভাগ সময় ঘন চিরসবুজ গাছে খাবারের সন্ধানে একে দেখা যায় । প্রাথমিকভাবে ছোট পোকামাকড়, আর্থ্রোপড, ডিম, বিশালাকার মথ, মাকড়সা, প্রজাপতি এবং বীজ পছন্দ করে । তবে, মাঝে মাঝে এরা খাদ্যের পরিপূরক হিসেবে উদ্ভিজ্জ পদার্থ ব্যবহার করে । এই পাখি ঠান্ডার প্রতি সংবেদনশীল এবং ঠান্ডাময় রাতে উষ্ণতার জন্য আড্ডা দেয় । পুরুষ ও স্ত্রী পাখি একই রকম এবং অবিরাম উচ্চস্বরে ডাকে । বসন্তকাল থেকে শরৎকাল পর্যন্ত স্ত্রী পাখিরা প্রতিবেশী অঞ্চলে ঘুরে বেড়ায়, যখন পুরুষ পাখিরা তাদের শীতকালীন অঞ্চলে থাকে । এরা বাবা-মা এবং সন্তানদের নিয়ে পাল তৈরি করে এবং প্রজনন ঋতুতে ছানাগুলো একটি ডালে একসাথে জড়ো হয়ে থাকতে পছন্দ করে । হোক্কাইডোর তুষারাবৃত বনে এরা সামাজিক এবং কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘুরে বেড়ায় । কখনো কখনো তাদের মল্লক্রীড়া কৌশল (Acrobatic tricks) করতে দেখা যায় । নান্দনিক ছোট পাখিটি অত্যন্ত সক্রিয়, দ্রুত গতির এবং ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের মত নয় । পরম পূজনীয়, গোলাকার, সফেদ এবং তুলতুলে চেহারার জন্যই তাকে তুষার পরী (Snow fairy) ডাকে । তুষার পরী ডাকনামটি তাকে শুভ্রতার প্রতীক এবং দেবদূতের মত চেহারা তুলে ধরে । এই খাঁটি সাদা পাখি জাপানে এতই জনপ্রিয় যে জাপানি সামাজিক মাধ্যম, শিল্প এবং বিভিন্ন পণ্যদ্রব্যে তাকে আইকনিক বিষয় করে তুলেছে । 'হোক্কাইডো তুষার পরী' শীতের মাসগুলোতে বিশেষ করে জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারিতে তাদের সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যখন এরা উষ্ণতার জন্য পালক উঁচিয়ে সর্বোচ্চ ফুলে ওঠে । শীতকালে এদের সাদা পালক তুষারের সাথে মিশে গিয়ে এক অপরূপ দৃশ্যের সৃষ্টি করে । 

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাল, গুগল ।https://share.google/J97f7Sod6uwfgpcFI

প্রত্যাখ্যান (কবি: মায়া অ্যাঞ্জেলো)

প্রত্যাখ্যান কবি: মায়া অ্যাঞ্জেলো অনুবাদ: মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল প্রিয়তম, অন্য কোনো জীবনে বা দেশে আমি কি তোমার অধরের স্পর্শ অনুভব করে...