এ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ!
বাংলাদেশের অন্যতম ওষুধ প্রস্তুতকারী Globe Pharmaceuticals Group of Companies Ltd এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান Globe Biotech Limited, Bangladesh http://globe-biotech.com/?fbclid=IwAR1qydLig41MKxdoCsk7wdHYJcQ3ckX27VL3d20u8Q-IJpDmSdrWWcW6WTA বাংলাদেশের প্রথম সংস্থা হিসেবে Covid-19 https://www.who.int/bangladesh/emergencies/coronavirus-disease-(covid-19)-update করোনা ভাইরাস (Coronavirus) রোগের বিরুদ্ধে একটি টীকা (Vaccine) আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে । Covid-19 এর টীকা'র জন্য প্রারম্ভিকভাবে প্রাণীর উপর পরীক্ষায় (Preliminary animal modelling trial) সাফল্য দাবি করা হয়েছে (যেখানে Covid-19 spike protein এর বিপরীতে প্রাণীর মডেলগুলিতে উচ্চ অনুরক্তিতে Antibody তৈরি করছে) ।
গতকাল ০৩/০৬/২০২০ খ্রিস্টাব্দ এক সংবাদ সম্মেলনে Globe Biotech Limited, Bangladesh এর সহকারী ব্যবস্থাপক এবং গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডঃ আসিফ মাহমুদ (Dr Asif Mahmud) বলেছেন, বাংলাদেশে প্রথম Covid-19 ঘটনা ধরা পড়লে ৮ই মার্চ ২০২০খ্রিঃ থেকে তারা Testing kit, Vaccine এবং Medicine এর উন্নতিসাধন/সংস্কার করতে শুরু করেছেন । এ রোগ প্রতিরোধের জন্য বৈশ্বিক দৌড়ে যোগ দিয়েছেন, যা প্রতিদিনের জীবনকে বিশ্বজুড়ে উলট-পালট করে দিয়েছে । গত ১০ই জুন থেকে ২৮শে জুন ২০২০খ্রিঃ পর্যন্ত ০৩টি খরগোশের উপর প্রাথমিক পরীক্ষার পর তারা এ ফলাফল পেয়েছেন । তবে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে টীকা বাজারজাত করতে আরও প্রায় ছয় মাস সময় প্রয়োজন । যদিও, সংস্থাটি এখনো Patent (বিশেষ অধিকার) এর জন্য আবেদন করতে পারেনি এবং Patent নিশ্চিত হওয়ার আগে এটি পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রকাশ করবে না । নিয়মানুযায়ী তারা ইতিমধ্যে মূলনীতি ও প্রাণী পরীক্ষা নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে এবং এ পরীক্ষা চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ করে পরবর্তীতে সংস্থাটি Bangladesh Medical Research Council (BMRC) এর নিকট নৈতিক অনুমোদন চাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে (যদি/যখন) অনুমোদন অর্জনের মধ্য দিয়ে সংস্থাটি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (DGDA) তত্ত্বাবধানে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ওষুধের কার্যকারিতা নির্ধারণের জন্য মানুষের উপর পরীক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে (এ টিকা'র 7.0 million vials তৈরির সক্ষমতা রয়েছে) । আশা করা যায়, ভবিষ্যতে মানবদেহে প্রয়োগে সফলভাবে এ টীকা কাজ করবে ।
Globe Biotech Limited, Bangladesh এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাকন নাগ (Kakon Nag) এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা (Naznin Sultana) এর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি বৈজ্ঞানিক দল গত ১৮ই মার্চ ২০২০খ্রিঃ SPR পৃষ্ঠতল প্লাজমনের অনুরণন পদ্ধতিতে (Surface plasmon resonance method) গবেষণাটি শুরু করেন এবং দু'জনেই কানাডা থেকে দলটিকে তদারকি করেছিলেন । পৃষ্ঠতল প্লাজমনের অনুরণন পদ্ধতি একটি অপটিক্যাল কৌশল (প্রযুক্তি ব্যবহার) যা আণবিক মিথস্ক্রিয়া সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয় ।
জিনোম (Genome) একটি জীবের জিনগত উপাদান । এটিতে DNA (বা RNA, আরএনএ ভাইরাসগুলির মধ্যে) থাকে । জিনোমে জিনগুলি (Gene) (কোডিং অঞ্চলগুলি) এবং ননকোডিং (Noncoding) DNA, পাশাপাশি Mitochondrial DNA এবং Chloroplast DNA উভয়ই রয়েছে । ৭৬ Genome sequence https://en.wikipedia.org/wiki/Whole_genome_sequencing নিয়ে সেখানে দেখেন যে, একটি বিন্যাসক্রমে (Sequence) একটি পরিব্যক্তি বিন্দু রয়েছে, যা তারা অ্যামিনো অ্যাসিড বন্ধনের (Amino acid bonding) জন্য ব্যবহার করেছেন । খরগোশগুলিকে বিচ্ছিন্ন এবং তারা (খরগোশ) তাদের দেহে ইতিমধ্যে Antibody (জীবদেহে কোনো বিশেষ ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশের প্রতিক্রিয়ায় জাত বিশেষ প্রোটিনজাতীয় পদার্থ যা ঐ ক্ষতিকর পদার্থকে ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করে) তৈরি করেছে কি-না, রক্তরস (Serum) সংগ্রহের মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ করে ০৩টি খরগোশকেই প্রথমবারের জন্য আবিষ্কারকৃত ওষুধের মাত্রা (Dose) দেওয়া হয় । এরপর খরগোশগুলোকে পর্যায়ক্রমে দু'টি মাত্রা (Dose) দেওয়ার পর রক্তের Serum সংগ্রহের মাধ্যমে Antigen ও Antibody বন্ধন কার্যকরভাবে তৈরি করছে কি-না (যথেষ্ট উন্নত মাত্রায় অনুরণন করে) পরীক্ষা করা হয় এবং পুরো প্রক্রিয়াটিই চলে WHO এর নির্দেশিকা অনুসরণ করে । বাংলাদেশি উদ্ভাবকরা প্রাণী পরীক্ষায় করোনাভাইরাস টীকা প্রয়োগ করে প্রাথমিকভাবে সফলতা অর্জন করেন ।
Globe Biotech Limited, Bangladesh তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সম্পূর্ণ কোডিং (The complete coding of the target) (অনুক্রমটি) জমা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বায়ো টেকনোলজি তথ্য সংস্থার (NCBI) কাছে এবং তারা ইতিমধ্যে বিষয়টি অনুমোদিত ও সংস্থার সাময়িকীতে (Journal) প্রকাশ করেছে । NCBI virus database অনুসারে, গত ৩০শে জুন, ২০২০ খ্রিঃ অবধি বিশ্বজুড়ে একটি ভাইরাসের একটি টীকা আবিষ্কার, সুরক্ষা, কার্যকারিতা, উন্নতিসাধন বা সংস্কারে ৫,৭৪৩টি জিনোম সিকোয়েন্স (Genome sequences) জমা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৭৬টি জমা পড়েছে এবং সর্বশেষ সংস্কার ১১৭তম এ দেশ । সত্যিই একটি সুখবর, প্রশংসিত ও আশাপ্রদ কাজ ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Moderna এবং Pfizer, যুক্তরাজ্যের Oxford University, চীনের Synovac Biotech, ভারতের Bharat Biotech Limited/Bharat Biotech International Limited (BBIL) এর মতো সারাবিশ্বে কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত সংস্থা টীকা তৈরি ও উন্নয়নের উপর এ বিষয়ে কাজ করছে । আবার কেউ কেউ তাদের আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন । এদের মধ্যে কয়েকটি সংস্থাই এ বছরের মধ্যে প্রথম ধাপের বিচারে যেতে সক্ষম হয়েছে । ২০০টি কোম্পানির মধ্যে প্রায় ১১টি প্রকল্প প্রথম পর্যায়ে রয়েছে, ০৪টি সংস্থা দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে এবং ০৩টি সংস্থা বিশ্বের ৩য় পর্যায়ে রয়েছে ।
আমরা পিছিয়ে থাকবো কেন?
এ মহামারিতে ক্ষণে ক্ষণে বেড়ে চলছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা । বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত মরণঘাতী করোনো ভাইরাসে প্রায় ৫২০,০০০ অধিক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে । বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিজ্ঞানীরা Covid-19 এর কার্যকর প্রতিষেধক বা টীকা আবিষ্কারের জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা ও উন্নতিসাধন করে চলেছেন । বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ০৭ বিলিয়ন টীকা'র চাহিদা রয়েছে যার মধ্যে কেবলমাত্র ১.২ বিলিয়ন পূরণ করা যেতে পারে । এ পরিস্থিতিতে আমাদের নিজস্ব একটি টীকা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি সম্ভবপর ।
২০১৫খ্রিঃ Globe Biotech Limited https://web.facebook.com/globebiotechlimited/?_rdc=1&_rdr প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অনুমতি সাপেক্ষে এ জাতীয় গবেষণা চালানোর অনুমতি রয়েছে । প্রথমত এ টিকা আবিষ্কার মানবজাতির জন্যই কল্যাণকর, বিদেশ থেকে করোনা ভাইরাসের টীকা আমদানি করা অবশ্যই ব্যয়বহুল, সাশ্রয়ী মূল্যে এটি উত্পাদন করে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি দিকও বিবেচনা করা যেতে পারে এবং এর সাথে উৎপাদনকারী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান সংস্থা ও দেশের সুনাম জড়িয়ে আছে । Globe Biotech Limited গবেষণা বা উদ্ভাবনী কাজ করে যে সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে সত্যিই প্রশংসনীয় । আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনেই এর সহায়তা, সমর্থন, উন্নয়ন, সংরক্ষণ, নিরাপত্তা এবং সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা অতীব জরুরী । সত্যিকারভাবেই Globe Biotech Limited, Bangladesh বায়োইনফরম্যাটিক্স সরঞ্জামের (The Bioinformatics tools) মাধ্যমে টেকসই এ কার্যক্রম পরীক্ষা করে তাদের টীকা উৎপাদনের লক্ষ্যকে নিশ্চিত করেছে- যা শুধু এ ভৌগলিক অঞ্চলেই নয় সারাবিশ্বে এটি যৌক্তিকভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে । জনহিতকর এ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই এবং এ কর্মসূচীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি । জয় হোক মানবতার ।
#COVID19 #Vaccine #Invention #Bangladesh #GlobeBiotechLimited #GBL #Corona #CoronaVirus
https://web.facebook.com/watch/live/?v=757645861643290&ref=watch_permalink
https://web.facebook.com/globebiotechlimited/posts/2690812854491988
বাংলাদেশের অন্যতম ওষুধ প্রস্তুতকারী Globe Pharmaceuticals Group of Companies Ltd এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান Globe Biotech Limited, Bangladesh http://globe-biotech.com/?fbclid=IwAR1qydLig41MKxdoCsk7wdHYJcQ3ckX27VL3d20u8Q-IJpDmSdrWWcW6WTA বাংলাদেশের প্রথম সংস্থা হিসেবে Covid-19 https://www.who.int/bangladesh/emergencies/coronavirus-disease-(covid-19)-update করোনা ভাইরাস (Coronavirus) রোগের বিরুদ্ধে একটি টীকা (Vaccine) আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে । Covid-19 এর টীকা'র জন্য প্রারম্ভিকভাবে প্রাণীর উপর পরীক্ষায় (Preliminary animal modelling trial) সাফল্য দাবি করা হয়েছে (যেখানে Covid-19 spike protein এর বিপরীতে প্রাণীর মডেলগুলিতে উচ্চ অনুরক্তিতে Antibody তৈরি করছে) ।
গতকাল ০৩/০৬/২০২০ খ্রিস্টাব্দ এক সংবাদ সম্মেলনে Globe Biotech Limited, Bangladesh এর সহকারী ব্যবস্থাপক এবং গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডঃ আসিফ মাহমুদ (Dr Asif Mahmud) বলেছেন, বাংলাদেশে প্রথম Covid-19 ঘটনা ধরা পড়লে ৮ই মার্চ ২০২০খ্রিঃ থেকে তারা Testing kit, Vaccine এবং Medicine এর উন্নতিসাধন/সংস্কার করতে শুরু করেছেন । এ রোগ প্রতিরোধের জন্য বৈশ্বিক দৌড়ে যোগ দিয়েছেন, যা প্রতিদিনের জীবনকে বিশ্বজুড়ে উলট-পালট করে দিয়েছে । গত ১০ই জুন থেকে ২৮শে জুন ২০২০খ্রিঃ পর্যন্ত ০৩টি খরগোশের উপর প্রাথমিক পরীক্ষার পর তারা এ ফলাফল পেয়েছেন । তবে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে টীকা বাজারজাত করতে আরও প্রায় ছয় মাস সময় প্রয়োজন । যদিও, সংস্থাটি এখনো Patent (বিশেষ অধিকার) এর জন্য আবেদন করতে পারেনি এবং Patent নিশ্চিত হওয়ার আগে এটি পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রকাশ করবে না । নিয়মানুযায়ী তারা ইতিমধ্যে মূলনীতি ও প্রাণী পরীক্ষা নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে এবং এ পরীক্ষা চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ করে পরবর্তীতে সংস্থাটি Bangladesh Medical Research Council (BMRC) এর নিকট নৈতিক অনুমোদন চাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে (যদি/যখন) অনুমোদন অর্জনের মধ্য দিয়ে সংস্থাটি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (DGDA) তত্ত্বাবধানে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ওষুধের কার্যকারিতা নির্ধারণের জন্য মানুষের উপর পরীক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে (এ টিকা'র 7.0 million vials তৈরির সক্ষমতা রয়েছে) । আশা করা যায়, ভবিষ্যতে মানবদেহে প্রয়োগে সফলভাবে এ টীকা কাজ করবে ।
Globe Biotech Limited, Bangladesh এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাকন নাগ (Kakon Nag) এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা (Naznin Sultana) এর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি বৈজ্ঞানিক দল গত ১৮ই মার্চ ২০২০খ্রিঃ SPR পৃষ্ঠতল প্লাজমনের অনুরণন পদ্ধতিতে (Surface plasmon resonance method) গবেষণাটি শুরু করেন এবং দু'জনেই কানাডা থেকে দলটিকে তদারকি করেছিলেন । পৃষ্ঠতল প্লাজমনের অনুরণন পদ্ধতি একটি অপটিক্যাল কৌশল (প্রযুক্তি ব্যবহার) যা আণবিক মিথস্ক্রিয়া সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয় ।
জিনোম (Genome) একটি জীবের জিনগত উপাদান । এটিতে DNA (বা RNA, আরএনএ ভাইরাসগুলির মধ্যে) থাকে । জিনোমে জিনগুলি (Gene) (কোডিং অঞ্চলগুলি) এবং ননকোডিং (Noncoding) DNA, পাশাপাশি Mitochondrial DNA এবং Chloroplast DNA উভয়ই রয়েছে । ৭৬ Genome sequence https://en.wikipedia.org/wiki/Whole_genome_sequencing নিয়ে সেখানে দেখেন যে, একটি বিন্যাসক্রমে (Sequence) একটি পরিব্যক্তি বিন্দু রয়েছে, যা তারা অ্যামিনো অ্যাসিড বন্ধনের (Amino acid bonding) জন্য ব্যবহার করেছেন । খরগোশগুলিকে বিচ্ছিন্ন এবং তারা (খরগোশ) তাদের দেহে ইতিমধ্যে Antibody (জীবদেহে কোনো বিশেষ ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশের প্রতিক্রিয়ায় জাত বিশেষ প্রোটিনজাতীয় পদার্থ যা ঐ ক্ষতিকর পদার্থকে ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করে) তৈরি করেছে কি-না, রক্তরস (Serum) সংগ্রহের মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ করে ০৩টি খরগোশকেই প্রথমবারের জন্য আবিষ্কারকৃত ওষুধের মাত্রা (Dose) দেওয়া হয় । এরপর খরগোশগুলোকে পর্যায়ক্রমে দু'টি মাত্রা (Dose) দেওয়ার পর রক্তের Serum সংগ্রহের মাধ্যমে Antigen ও Antibody বন্ধন কার্যকরভাবে তৈরি করছে কি-না (যথেষ্ট উন্নত মাত্রায় অনুরণন করে) পরীক্ষা করা হয় এবং পুরো প্রক্রিয়াটিই চলে WHO এর নির্দেশিকা অনুসরণ করে । বাংলাদেশি উদ্ভাবকরা প্রাণী পরীক্ষায় করোনাভাইরাস টীকা প্রয়োগ করে প্রাথমিকভাবে সফলতা অর্জন করেন ।
Globe Biotech Limited, Bangladesh তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সম্পূর্ণ কোডিং (The complete coding of the target) (অনুক্রমটি) জমা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বায়ো টেকনোলজি তথ্য সংস্থার (NCBI) কাছে এবং তারা ইতিমধ্যে বিষয়টি অনুমোদিত ও সংস্থার সাময়িকীতে (Journal) প্রকাশ করেছে । NCBI virus database অনুসারে, গত ৩০শে জুন, ২০২০ খ্রিঃ অবধি বিশ্বজুড়ে একটি ভাইরাসের একটি টীকা আবিষ্কার, সুরক্ষা, কার্যকারিতা, উন্নতিসাধন বা সংস্কারে ৫,৭৪৩টি জিনোম সিকোয়েন্স (Genome sequences) জমা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৭৬টি জমা পড়েছে এবং সর্বশেষ সংস্কার ১১৭তম এ দেশ । সত্যিই একটি সুখবর, প্রশংসিত ও আশাপ্রদ কাজ ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Moderna এবং Pfizer, যুক্তরাজ্যের Oxford University, চীনের Synovac Biotech, ভারতের Bharat Biotech Limited/Bharat Biotech International Limited (BBIL) এর মতো সারাবিশ্বে কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত সংস্থা টীকা তৈরি ও উন্নয়নের উপর এ বিষয়ে কাজ করছে । আবার কেউ কেউ তাদের আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন । এদের মধ্যে কয়েকটি সংস্থাই এ বছরের মধ্যে প্রথম ধাপের বিচারে যেতে সক্ষম হয়েছে । ২০০টি কোম্পানির মধ্যে প্রায় ১১টি প্রকল্প প্রথম পর্যায়ে রয়েছে, ০৪টি সংস্থা দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে এবং ০৩টি সংস্থা বিশ্বের ৩য় পর্যায়ে রয়েছে ।
আমরা পিছিয়ে থাকবো কেন?
এ মহামারিতে ক্ষণে ক্ষণে বেড়ে চলছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা । বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত মরণঘাতী করোনো ভাইরাসে প্রায় ৫২০,০০০ অধিক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে । বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিজ্ঞানীরা Covid-19 এর কার্যকর প্রতিষেধক বা টীকা আবিষ্কারের জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা ও উন্নতিসাধন করে চলেছেন । বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ০৭ বিলিয়ন টীকা'র চাহিদা রয়েছে যার মধ্যে কেবলমাত্র ১.২ বিলিয়ন পূরণ করা যেতে পারে । এ পরিস্থিতিতে আমাদের নিজস্ব একটি টীকা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি সম্ভবপর ।
২০১৫খ্রিঃ Globe Biotech Limited https://web.facebook.com/globebiotechlimited/?_rdc=1&_rdr প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অনুমতি সাপেক্ষে এ জাতীয় গবেষণা চালানোর অনুমতি রয়েছে । প্রথমত এ টিকা আবিষ্কার মানবজাতির জন্যই কল্যাণকর, বিদেশ থেকে করোনা ভাইরাসের টীকা আমদানি করা অবশ্যই ব্যয়বহুল, সাশ্রয়ী মূল্যে এটি উত্পাদন করে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি দিকও বিবেচনা করা যেতে পারে এবং এর সাথে উৎপাদনকারী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান সংস্থা ও দেশের সুনাম জড়িয়ে আছে । Globe Biotech Limited গবেষণা বা উদ্ভাবনী কাজ করে যে সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে সত্যিই প্রশংসনীয় । আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনেই এর সহায়তা, সমর্থন, উন্নয়ন, সংরক্ষণ, নিরাপত্তা এবং সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা অতীব জরুরী । সত্যিকারভাবেই Globe Biotech Limited, Bangladesh বায়োইনফরম্যাটিক্স সরঞ্জামের (The Bioinformatics tools) মাধ্যমে টেকসই এ কার্যক্রম পরীক্ষা করে তাদের টীকা উৎপাদনের লক্ষ্যকে নিশ্চিত করেছে- যা শুধু এ ভৌগলিক অঞ্চলেই নয় সারাবিশ্বে এটি যৌক্তিকভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে । জনহিতকর এ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই এবং এ কর্মসূচীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি । জয় হোক মানবতার ।
#COVID19 #Vaccine #Invention #Bangladesh #GlobeBiotechLimited #GBL #Corona #CoronaVirus
https://web.facebook.com/watch/live/?v=757645861643290&ref=watch_permalink
https://web.facebook.com/globebiotechlimited/posts/2690812854491988
No comments:
Post a Comment