Tuesday, 21 July 2020

সেঁজুতি সাহা (Senjuti Saha)

(বাবার সাথে) ছবি: https://www.sangbadpratidin.in/


বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র, তরুণ প্রতিভাময়ী অণুজীব বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা (Senjuti Saha) https://www.sgs.utoronto.ca/profile/senjuti-saha/ https://www.linkedin.com/in/senjutisaha/ https://web.facebook.com/senjuti.saha.98 https://en.wikipedia.org/wiki/Senjuti_Saha https://twitter.com/senjutisaha ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র (WHO) একজন পরামর্শক নিযুক্ত হয়েছেন । তিনিই প্রথম বাংলাদেশি বিজ্ঞানী হিসেবে সংস্থাটির বিশ্বব্যাপী পোলিও (Polio) https://www.who.int/news-room/fact-sheets/detail/poliomyelitis https://en.wikipedia.org/wiki/Polio http://polioeradication.org/polio-today/history-of-polio/ নির্মূল কর্মোদ্যোগ সম্পর্কিত The Polio Transition Independent Monitoring Board (TIMB) এ নিয়োগ পেয়েছেন । সেঁজুতি সাহা মূলত Microbiology, Epidemiology এবং Global Health নিয়ে গবেষণা করেন । বৈশ্বিকভাবে করোনা ভাইরাস ((Covid-19) ছড়িয়ে পড়ার পর গত মে মাসে সে তার বাবার সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশে বেসরকারি শিশুস্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান Child Health Research Foundation (CHRF) https://www.linkedin.com/company/child-health-research-foundation/ http://chrfbd.org/ এর গবেষণাগারে প্রথমবারের মতো নভেল করোনাভাইরাসের Genome sequencing (জিন-নকশা) https://en.wikipedia.org/wiki/Whole_genome_sequencing http://chrfbd.org/whole-genome-sequencing-of-novel-coronavirus-sars-cov-2-in-bangladesh/ https://unb.com.bd/category/special/dr-samir-for-genome-sequencing-of-more-coronavirus-samples/51872 এর কাজে গবেষকদের একটি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে সফলভাবে শেষ করেছেন । CHRF এর এ প্রকল্পটিকে স্বাস্থ্য পরিষেবা মহাপরিদপ্তর (Directorate General of Health Services), রোগবিস্তার বা মহামারী-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান (Institute of Epidemiology), রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা (Disease Control and Research), বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন (Bill and Melinda Gates Foundation) এবং চ্যান জাকারবার্গ বায়ো হাব (Chan Zuckerberg Biohub) থেকে সহায়তা করে । সেঁজুতি সাহার বাবা অধ্যাপক ডাঃ সমীর কুমার সাহা https://en.wikipedia.org/wiki/Samir_Kumar_Saha https://web.facebook.com/Dr.Samirsaha?_rdc=1&_rdr একজন অণুজীব বিজ্ঞানী ৷ তিনি বাংলাদেশের শিশুরোগ চিকিৎসা সংক্রান্ত বৃহত্তম হাসপাতাল Dhaka Shishu Hospital এর অনুজীববিজ্ঞান/জীবার্ণুবিজ্ঞান (Microbiology) বিভাগের প্রধান এবং CHRF এর নির্বাহী পরিচালক । উল্লেখ্য যে, মেনিনজাইটিস (Meningitis) হচ্ছে মস্তিষ্কে এক ধরণের সংক্রমণ বা প্রদাহ https://www.cdc.gov/meningitis/index.html https://www.healthline.com/health/meningitis#symptoms https://www.nhs.uk/conditions/meningitis/ এবং নিউমোনিয়া (Pneumonia) হচ্ছে ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাক দ্বারা মানবদেহের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ফুসফুসকে সংক্রমণ করে ৷ ফলে ফুসফুসের বায়ু থলিতে (Alveoli) প্রদাহ সৃষ্টি করে এক প্রকার তরল বা পুঁজের সৃষ্টি হয় ৷ এতে করে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাসে তীব্র কষ্ট এবং ব্যথা অনুভূত হয়, এমনকি মৃত্যুও ঘটে ৷ নিউমোনিয়া https://www.nhs.uk/conditions/pneumonia/ https://en.wikipedia.org/wiki/Pneumonia এবং মেনিনজাইটিস এ দু’টি মরণব্যাধি শিশুমৃত্যুর বড় কারণ । ডাঃ সমীর কুমার সাহা শিশুদের জন্য সরকারের গৃহীত টিকাদান কর্মসূচী, স্বাস্থ্যসেবায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগীতার পাশাপাশি CHRF কর্তৃক এ সকল রোগের টিকা ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিশুমৃত্যু হার কমিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । অধ্যাপক ডাঃ সমীর কুমার সাহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগে MSc এবং ভারতের Banaras Hindu University এর Institute of Medical Science থেকে PhD করেন । বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিতে সংক্রামক রোগ থেকে শিশুমৃত্যু হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ডাঃ সমীর কুমার সাহা কল্যাণকর ও স্বনামধন্য CHRF প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন নিজ মেধা, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং পরম মমতায় । বর্তমানে এখানে ০৫ বৎসরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে RSV সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়া রোগ সম্পর্কে নানাবিদ গবেষণা চলছে । সেঁজুতি সাহা বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে একজন Microbiologist (অণুজীব বিজ্ঞানী) হিসেবে কাজ করছেন । ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে ডাঃ সমীর কুমার সাহা প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মাইক্রোবায়োলজিতে ‘Unesco Carlos J Finlay Prize’ পুরস্কার পেয়েছেন এবং Clinical Microbiology তে অসামান্য গবেষণার জন্য American Society of Microbiology তাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র https://en.wikipedia.org/wiki/World_Health_Organization https://www.who.int/ Global Polio Eradication Initiative (GPEI) সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে The Independent Monitoring Board (IMB) গঠিত হয়। এ বৎসর তিন জনকে IMB তে নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয় ৷ এটি মূলত বিশ্বব্যাপী পোলিও রোগ বিস্তার সম্পর্কে তথ্য, পোলিওভাইরাস সনাক্তকরণ, রোগ প্রতিরোধ বা নির্মূলকরণ, স্বাধীন পর্যবেক্ষণ, অভীষ্ট লক্ষ্যপূরণ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং পোলিও মুক্ত বিশ্ব অর্জনের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে থাকে ৷ এছাড়া বৈশ্বিকভাবে পোলিও মহামারীর উপর ভিত্তি করে এর রোধকল্পে মূল মাইলফলকের দিকে অগ্রগতির মূল্যায়ন করে ৷ মাইলফলক যদি At risk, Off track বা Missed হয়েছে বলে দেখা যায় তবে সংক্রামিত স্থানকে কেন্দ্র করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বাস্তবায়নকারী অংশীদার অথবা দাতা সংস্থাগুলিকে দিক নির্দেশনাসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা (আর্থিক দিকও হতে পারে) এবং পথ প্রদর্শনের মাধ্যমে এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে । অন্যান্য কার্যক্রমের উপর তথ্যের ভিত্তিতে গৃহীত বা সম্পাদিত কার্যের গুণমান মূল্যায়ন করে সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে । ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদে (World Health Assembly) পোলিও সম্পর্কিত বিল অনুমোদনের পর থেকে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’ পোলিও সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং বিশ্বের দেশগুলির জনস্বাস্থ্যের অবকাঠামো ব্যবস্থা সুরক্ষিত করা বা এটি টিকিয়ে রাখতে বিশেষ করে অপরিহার্য টিকাদান, বৃহত্তর সংক্রামক রোগের নজরদারি, পর্যবেক্ষণ, সতর্কতা এবং জরুরি প্রতিক্রিয়ার বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করছে । পোলিও নির্মূল কর্মসূচির জন্য ‘স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের’ (IMB) সম্মানিত সভাপতি হচ্ছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রোগীর সুরক্ষার জন্য বিশেষ দূত Professor Sir Liam Joseph Donaldson https://en.wikipedia.org/wiki/Liam_Donaldson https://twitter.com/DonaldsonLiam https://www.ms.w3ki.com/wiki/Liam_Donaldson । তিনি একইসঙ্গে যুক্তরাজ্যের Bloomsbury, Camden এ অবস্থিত সর্বসাধারণ গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় London School of Hygiene & Tropical Medicine এর জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক । Professor Sir Liam Joseph Donaldson বর্তমানে Imperial College London এর স্বাস্থ্য নীতিমালার চেয়ারম্যান এবং Newcastle University এর আচার্য (Chancellor) । ‘স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ বোর্ডে’ (IMB) সেঁজুতি সাহার সহকর্মী অন্য দুই জন নব নিযুক্ত সদস্যের মধ্যে প্রথম জন হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের University of North Carolina এর Gillings School of Global Public Health এর গবেষণা অধ্যাপক, CBE, Hon FRCP, Sheila Leatherman https://sph.unc.edu/adv_profile/sheila-leatherman-msw/ https://en.wikipedia.org/wiki/Sheila_Leatherman https://www.linkedin.com/in/sheila-leatherman-01933711/ । দ্বিতীয় জন হচ্ছেন নাইজেরিয়ার Community চিকিৎসক, মহামারী বিশেষজ্ঞ (Epidemiologist), সামাজিক বিকাশ বা উন্নয়ন পরামর্শক এবং স্বাস্থ্য বিজ্ঞান প্রশিক্ষণ- গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের (CHESTAD) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা Dr. Boluwatife Oluwafunmilola (Olajoyegbe) Lola-Dare https://thinklab.com/dare_lola https://connectnigeria.com/articles/2018/06/women-know-dr-lola-dare/ https://www.linkedin.com/in/boluwatife-oluwafunmilola-lola-dare-65a21b30/?originalSubdomain=uk । সেঁজুতি সাহা মনিটরিং বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’কে পোলিও নির্মূল প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে মহাপরিচালক পর্যায়ে পরামর্শ দেবেন । গত বৎসর নিউইয়র্কে তৃতীয় বার্ষিক Gates Goalkeepers Event এ সেঁজুতি সাহা বক্তব্য রাখেন https://www.youtube.com/watch?v=3r-4v-NXsXQ , যেখানে ৪০০টি নীতিমালা গৃহীত হয় ৷ উক্ত অনুষ্ঠানে সরকারী প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ, সক্রিয় অংশগ্রহণকারী কর্মী, সংবাদ মাধ্যম, ব্যবসায়ী এবং এ গ্রহের সবচেয়ে ধনী ও সর্বাধিক দানশীল ব্যক্তিদের একজন বিল গেটস (Bill Gates) https://www.gatesfoundation.org/Who-We-Are/General-Information/Leadership/Executive-Leadership-Team/Bill-Gates https://web.facebook.com/BillGates/?_rdc=1&_rdr https://web.facebook.com/BillGates https://www.gatesnotes.com/ https://en.wikipedia.org/wiki/Bill_Gates সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন । সেঁজুতি বিশ্বাস করেন “Science by and for the many, not the few”। তার দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বজুড়ে প্রত্যেকেরই বিজ্ঞানের অনুশীলন এবং এর সুবিধাগুলিতে সমান প্রবেশাধিকার পাওয়া উচিৎ । তিনি মনে করেন স্বাস্থ্য এবং গবেষণায় সাম্যভাব সৃষ্টি করাই তার কাজ এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি ।

সেঁজুতি সাহা Bangladesh International Tutorial থেকে তার বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে প্রথমে BSc ডিগ্রি, John Hopkins Bloomberg School এ জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী (Public Health Scientist), কানাডায় প্রাণরসায়নে (Biochemistry) স্নাতক ডিগ্রি এবং পরবর্তীতে University of Toronto https://www.utoronto.ca/ থেকে আণবিক জীনতত্ত্ব বিষয়ে (Molecular Genetics) PhD ডিগ্রি নেন । তিনি Visiting Post Doctoral Scholar এ পড়াশোনার আগে Stanford School Of Medicine Associate Faculty তে পড়াশোনা করেন । ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশে নবজাতক ও শিশুদের মধ্যে Meningitis (মস্তিষ্কের সংক্রমণ) রোগ বেড়ে গেলে সেঁজুতি সাহা শিশুদের জিনগত উপাদানগুলি বিশ্লেষণ করে এর রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হন । তিনি আবিষ্কার করেন যে, মেনিনজাইটিসের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় মশা এর দ্বারা ছড়িয়ে পড়া চিকুনগুনিয়া জ্বরের (Chikungunya fever) https://www.who.int/news-room/fact-sheets/detail/chikungunya https://en.wikipedia.org/wiki/Chikungunya https://www.cdc.gov/chikungunya/index.html প্রাদুর্ভাবের কারণে । ভবিষ্যতে মেনিনজাইটিস এবং অন্যান্য মারাত্মক রোগের প্রাদুর্ভাব দ্রুত সমাধানে দেশকে সহায়তা করতে তিনি তখন থেকেই বাংলাদেশে একটি স্বল্প ব্যয়ে রোগ নির্ণয় সংক্রান্ত বিশেষ যন্ত্রপাতি CHRF এ স্থাপন করেন ৷ মেনিনজাইটিস এর কারণে যে সমস্ত শিশুদের দীর্ঘকালীন অক্ষমতা নিয়ে বাঁচতে হয়- তাদের জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি একজন সামাজিক কর্মী এবং Microbiologist হিসেবে ‘মেনিনজাইটিস’ নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । সেজুঁতি সাহা ২৩শে এপ্রিল ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন । তার মা ডাঃ সেতারুন্নাহার সেতারা যিনিও একজন অণুজীব বিজ্ঞানী এবং Institute of Public Health, Bangladesh থেকে অবসর নিয়েছেন । অন্যদিকে University of Toronto বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ছোট ভাই সুদীপ্ত কুমার সাহা Microbiology and Global Health বিষয়ে পড়াশোনা করছেন । বলতে গেলে একটি বিজ্ঞানী পরিবার ৷ ব্যক্তিগত জীবনে সেজুঁতি সাহা বিবাহিত এবং তার স্বামী Yogesh Hooda https://web.facebook.com/yogihooda88 https://www.linkedin.com/in/yogihooda/?originalSubdomain=uk https://twitter.com/yogihooda88?lang=en একজন ভারতীয় নাগরিক । যিনি Medical Research Council Laboratory of Molecular Biology (MRC LMB) তে এবং যুক্তরাজ্যে একজন Biochemist হিসেবে কাজ করছেন । ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে তারা বিয়ে করেন । সেজুঁতি সাহা ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে ‘Bil And Melinda Gates Award’ পুরস্কারে ভূষিত হন । সারাবিশ্বে যারা নিজেদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার মাধ্যমে সমাজকে বদলে দিয়ে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে অবদান রেখে চলেছেন- তাদের নিয়ে মাইক্রোসফটের https://en.wikipedia.org/wiki/Microsoft https://www.linkedin.com/company/microsoft/ https://account.microsoft.com/account?lang=en-us http://news.microsoft.com/ প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ‘Heroes in the field’ শিরোনাম করে Blog লিখে থাকেন । সম্প্রতি বিল গেটস বাংলাদেশের অণুজীব বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডাঃ সমীর কুমার সাহা এবং তার মেয়ে সেঁজুতি সাহার ভূয়সী প্রশংসা করে লিখেন যে: https://www.gatesnotes.com/Health/The-Sahas-are-battling-global-health-inequity ”বাংলাদেশি এ বাবা-মেয়ে বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্যের গতিশীল এক জুটি । এক্ষেত্রে তারা সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তথ্য-উপাত্ত, রোগ নির্ণয়ের সর্বাধুনিক পদ্ধতি এবং সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে টিকাদান কর্মসূচীকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের নিম্ন আয়ের দেশগুলির সাথে সম্পদশালী দেশগুলির স্বাস্থ্যসেবার যে পার্থক্য রয়েছে, যেখানে শিশু মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি এবং এ ধরণের পার্থক্য কমিয়ে আনতে তারা সেখানে স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের ফাঁকগুলি বন্ধ করতে কাজ করছেন । Child Health Research Foundation (CHRF) এর কাজের বদৌলতে এবং শিশুদের জন্য বর্তমান সরকারের গৃহীত টিকাদান কর্মসূচীর পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে পাঁচ বৎসর বয়সের নিচে শিশুমৃত্যু হার কমেছে । ১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ এখন প্রায় ৯৮ শতাংশ টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় এসেছে । তাদের কাজের জন্য ধন্যবাদ ৷ বাংলাদেশ যদি রোগ প্রতিরোধে আরও বেশি কিছু করতে পারে তাহলে বাংলাদেশ এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে, যেখানে সংক্রামক ব্যাধি খুব কম থাকবে এবং হাসপাতালের বিছানাগুলি এক সময় ফাঁকা থাকবে ৷ CHRF বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে শিশুমৃত্যু হার হ্রাস করার ক্ষেত্রে সাহায্যকারী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান । তাদের এ মহৎ কর্মকাণ্ড এবং গবেষণা শুধুমাত্র বাংলাদেশেই নয় বরং একই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন দক্ষিণ এশিয়া তথাপি সারাবিশ্বে এর সুফল বয়ে নিয়ে আসবে” ।

শিক্ষা, মেধা, মনন, নিষ্ঠা এবং অধ্যবসায়ের কারণে সেজুঁতি সাহা এ যোগ্যতা অর্জন করেছেন- যা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করেছে । প্রিয়, সেজুঁতি সাহা আপনাকে অভিনন্দন! আপনি বাংলাদেশের জন্য এক বিরল সম্মান বয়ে এনেছেন । আমরা গর্বিত । ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র IMB তে আপনার নিয়োগে বাংলাদেশ তথাপি সারাবিশ্বে নানা সংক্রামক ব্যাধি রোধকল্পে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য এক তাৎপর্যপূর্ণ ফলাফল বয়ে নিয়ে আসবে, যা এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে । প্রত্যাশা করি আপনার সুখ, শান্তি, উন্নতি এবং এক সুন্দর স্বাস্থ্যময় জীবন ৷ ভালো থাকুন । 

* তথ্যসূত্র: অন্তর্জাল (The Internet)






No comments:

Post a Comment

প্রত্যাখ্যান (কবি: মায়া অ্যাঞ্জেলো)

প্রত্যাখ্যান কবি: মায়া অ্যাঞ্জেলো অনুবাদ: মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল প্রিয়তম, অন্য কোনো জীবনে বা দেশে আমি কি তোমার অধরের স্পর্শ অনুভব করে...