তুমি, তুমি, করছো কেন—
বলতে পারো না,
আমাকে ছাড়া কিভাবে থাকবে তুমি?
তোমার এই নীরবতা ও বুকভরা দীর্ঘশ্বাস উপলব্ধি করি ।
যদিও তুমি স্মৃতিমন্থন করবে:
জোনাকির সেই কোমল স্পর্শ,
শিশিরভেজা দূর্বা ঘাসের উপর আমাদের পথচলা,
সৈকতে লাল কাঁকড়াগুলোর সাথে বুনো উল্লাস,
অমর একুশে বইমেলার স্মরণীয় মুহূর্ত,
ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির পর রঙধনু দেখা,
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিবাসীদের উষ্ণ আতিথেয়তা,
পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলের বর্ষবরণ,
পূ্র্ণিমা রাতে চাঁদের আলোয় নিবিড় আলাপন,
শরতের নীল আকাশে ঘুড়ি উড়ানো,
কৃষ্ণচূড়া, প্রজাপতি, নীলপদ্ম এবং আরো কত কি...
এখন হয়তো একাকিত্বই তোমার নিত্যসঙ্গী হবে ।
তবুও প্রিয়তমের জন্য প্রতীক্ষা!
অনুভব করি তোমার নিঃসঙ্গতা, কষ্ট ও বিষন্নতাকে ।
একেবারেই একান্তে ।
তুমি আমার ভালোবাসার সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী ।
আমার হৃদয়েশ্বরী ।
Monday, 20 October 2025
প্রণয়িনী
Monday, 29 September 2025
Daffodils (ড্যাফোডিলস বা নার্গিস)
I wandered lonely as a cloud
That floats on high o'er vales and hills,
When all at once I saw a crowd,
A host, of golden daffodils;
Beside the lake, beneath the trees,
Fluttering and dancing in the breeze.
Continuous as the stars that shine
And twinkle on the milky way,
They stretched in never-ending line
Along the margin of a bay:
Ten thousand saw I at a glance,
Tossing their heads in sprightly dance.
The waves beside them danced; but they
Out-did the sparkling waves in glee:
A poet could not but be gay,
In such a jocund company:
I gazed—and gazed—but little thought
What wealth the show to me had brought:
For oft, when on my couch I lie
In vacant or in pensive mood,
They flash upon that inward eye
Which is the bliss of solitude;
And then my heart with pleasure fills,
And dances with the daffodils.
By: William Wordsworth
ড্যাফোডিলস (নার্গিস)
কবি: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ
-----------------------------------
আমি মেঘের মতো একা ঘুরেছি
যা উপত্যকা আর উঁচু পাহাড়ের উপর ভেসে বেড়ায়,
যখন আচমকা আমি একটি ভিড় দেখতে পেলাম,
একদল স্বর্ণালী ড্যাফোডিল ফুল;
হ্রদের ধারে, গাছের নিচে,
বাতাসে দোল খাচ্ছে এবং নাচছে ।
অবিরাম যে নক্ষত্রগুলো আলো ছড়ায়
এবং আকাশগঙ্গায় ঝিকিমিকি করে,
তারা এক অন্তহীন সারিতে ছড়িয়ে ছিল
একটি উপসাগরের প্রান্ত বরাবর:
আমি এক নজরে দশ হাজার দেখেছি,
প্রাণবন্ত নৃত্যে মাথা নাড়ছে ।
ড্যাফোডিলগুলোর পাশে ঢেউগুলো নাচছিল; কিন্তু তারা
উল্লাসে ঝলমলে ঢেউগুলোকে ছাড়িয়ে গেল:
একজন কবি সুখী না হয়ে পারতেন না,
এমন এক উচ্ছ্বসিত সাহচর্যে:
আমি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি— আর তাকিয়ে থাকি— কিন্তু একটু ভাবনা
আমার কাছে দৃশ্যটি কত ঐশ্বর্য এনেছিল:
প্রায়শই, যখন আমি আমার পালঙ্কে শুয়ে থাকি
ভাবশূন্য বা চিন্তামগ্ন মেজাজে,
সেগুলো অন্তর্চক্ষে ঝলকানি দেয়
কোনটি একাকীত্বের স্বর্গসুখ;
এবং তখন আমার মন আনন্দে ভরে ওঠে,
আর ড্যাফোডিলগুলোর সাথে নাচে ।
https://www.poetryfoundation.org/poems/45521/i-wandered-lonely-as-a-cloud
https://web.facebook.com/EnglishLiterature11/posts/pfbid08W5U9JrqjuVxo5rayFfW65RLsnV2yWKUnDr2H8TtCQfvnSF4SbcVEj8DqMQrRZjNl
Thursday, 18 September 2025
ঐতিহাসিক মিরকাদিম সেতু
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের পানাম গ্রামে তথাপি প্রাচীন বাংলার রাজধানী বিলুপ্ত শ্রীবিক্রমপুর মহানগরের সীমানা পরিখা মিরকাদিম খালের উপর ইট, সুরকি এবং চুন ব্যবহার করে তিন খিলান বিশিষ্ট এই পুল বা সেতুটি নির্মাণ করা হয় । এটি পুলঘাটা বা পানামের পুল অথবা মিরকাদিমের পুল নামে পরিচিত । বিক্রমপুর এক অতি প্রাচীনতম জনপদ । বিক্রমপুর প্রাচীন বঙ্গের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র । নানা ধর্মের মানুষের বসতি এবং অনেক কীর্তিমান ও সু-মহান গুণীজনের নাড়ির শিকড় এই বিক্রমপুরে । গৌরবোজ্জ্বল স্থান বিক্রমপুরের রয়েছে প্রাচীন এক সমৃদ্ধ ইতিহাস । ঐতিহ্যবাহী এই নগরীতে গড়ে উঠেছে বহুমুখী স্থাপনা । এর মধ্যে একটি হচ্ছে মিরকাদিম সেতু । এই বিক্রমপুর পরগনার ঐতিহাসিক মুঘল আমলের নান্দনিক ও বিস্ময়কর মিরকাদিম সেতুটি মুঘল স্থাপত্যের এক মহামূল্যবান স্মারকচিহ্ন । মিরকাদিম সেতুর নির্মাণ সম্পর্কিত কোনো শিলালিপি না থাকলেও হারানো নিধি পর্ব-১ এর বিবরণ থেকে জানা যায় যে, ষষ্ঠ ও সর্বশেষ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের (১৬৫৮ খ্রিঃ – ১৭০৭ খ্রিঃ) রাজত্ব কালে ঢাকার প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় এবং সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে জলদুর্গ নির্মাণের পাশাপাশি ১৬৫৮ থেকে ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মুঘল সুবাদার মীর জুমলা (১৫৯১ খ্রিঃ – ১৬৬৩ খ্রিঃ) মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার ইদ্রাকপুর কেল্লা থেকে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় অবস্থিত মুসা খানের কেল্লা পর্যন্ত দুইটি সেতু নির্মাণ করেন । এর মধ্যে একটি হচ্ছে মিরকাদিম সেতু এবং অপরটি তালতলা সেতু । তবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংরেজরা বোমা হামলা করে তালতলা সেতুটি উড়িয়ে দেয় । ধুনক আকৃতি এই সেতুর রয়েছে এক চমৎকার নির্মাণশৈলী । সেতুটি পুরোটাই ইটের পলেস্তরা করা । এটির দৈর্ঘ্য ঢালসহ প্রায় ১৭২ ফুট (প্রায় ৫২.৪২ মিটার ) এবং প্রস্থ ১৬ ফুট ৬ ইঞ্চি । পানির উপরিভাগ থেকে সেতুর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট । স্তম্ভ বা ভিমের পরিধি ৪ হাত পুরু । সেতুটির মাঝের খিলানের উচ্চতা প্রায় ১৯ হাত এবং পাঁচ হাত প্রস্থসহ দুই পাশের প্রতিটি খিলানের উচ্চতা প্রায় ১১ হাত । চির সবুজ এবং অনাবিল সুন্দর প্রকৃতির মাঝে বয়ে যাওয়া এই খরস্রোতা খালে বড় বড় মালবাহী নৌকা চলাচলের সুবিধার জন্য সেতুর মাঝখানের খিলানটিকে উঁচু করা হয়েছে । মূল সেতু থেকে ৭ কিলোমিটার দক্ষিণে টংগিবাড়ী উপজেলা এবং ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মুন্সীগঞ্জ শহর অবস্থিত । প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের এক অমূল্য ও অনন্য মহাকীর্তি হিসেবে এটি এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে । নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে কালের সাক্ষী হয়ে এই সেতুটি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা এবং টঙ্গীবাড়ী উপজেলাকে বিভক্ত করেছে । সেতুর পূর্বপ্রান্তটি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের পানাম গ্রামে এবং পশ্চিমপ্রান্তটি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের মিরকাদিম গ্রামে পড়েছে । ঐতিহ্যবাহী সেতুটির ঢালে রয়েছে এক বিশাল অশ্বত্থ গাছ । যদিও এই সেতু এবং এর ইতিহাস সম্পর্কে স্থানীয়ভাবে অল্পসংখ্যক মানুষের জনশ্রুতি বা কল্পিত বা ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে, এটি একটি 'জিনের সেতু' বা 'গায়েবী সেতু' । দৃষ্টিনন্দন সেতুটি বিভিন্ন সময়ে সংস্কারের ফলে এটির আদিরূপ অনেকটাই বিলীন হয়ে গেছে । দীর্ঘদিনের অযত্ন ও অবহেলায় সেতুটির দুই পাশের কাঠগড়া বা বেড়ার (Railing) কিছু অংশ ভেঙ্গে গেছে । এছাড়া, সেতুর নিচ দিয়ে ট্রলার বা অন্যান্য নৌযান চলাচলের সময় এটিতে আঘাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । প্রাচীন বিক্রমপুরের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য ধারণকারী মিরকাদিম সেতুটি মুন্সীগঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন । পর্যটকদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় স্থান । গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বর্তমানে সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ করছে ।
Monday, 15 September 2025
To Summer (গ্রীষ্মে)
O Thou who passest thro’ our vallies in
Thy strength, curb thy fierce steeds, allay the heat
That flames from their large nostrils! thou, O Summer,
Oft pitched’st here thy golden tent, and oft
Beneath our oaks hast slept, while we beheld
With joy, thy ruddy limbs and flourishing hair.
Beneath our thickest shades we oft have heard
Thy voice, when noon upon his fervid car
Rode o’er the deep of heaven; beside our springs
Sit down, and in our mossy vallies, on
Some bank beside a river clear, throw thy
Silk draperies off, and rush into the stream!
Our vallies love the Summer in his pride.
Our bards are famed who strike the silver wire:
Our youth are bolder than the southern swains,
Our maidens fairer in the sprightly dance.
We lack not songs, nor instruments of joy,
Nor echoes sweet, nor waters clear as heaven,
Nor laurel wreaths against the sultry heat.
'গ্রীষ্মে'
ওহে তুমি যে আমাদের উপত্যকাগুলোর মধ্য দিয়ে যাও
তোমার শক্তিতে, তোমার তেজী ঘোড়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করো,
তাদের বৃহৎ নাসারন্ধ্র থেকে যে অগ্নিশিখার তাপ বের হয় তা প্রশমিত করো! তুমি, ওহে গ্রীষ্ম,
প্রায়শই এখানে তোমার সোনালী তাঁবু স্থাপন করেছ,
আর প্রায়শই আমাদের ওক গাছের নিচে তুমি ঘুমিয়েছিলে,
যখন আমরা আনন্দে তোমার লালচে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং ঝলমলে চুল দেখেছি ।
আমাদের ঘন ছায়ার নিচে আমরা প্রায়শই তোমার কণ্ঠস্বর শুনেছি,
যখন মধ্যাহ্ন তার উত্তপ্ত রথে চড়ে স্বর্গের গভীরে চলে যায়;
আমাদের ঝর্ণার পাশে বসো,
এবং আমাদের শ্যাওলাভরা উপত্যকায়,
কোনো এক স্বচ্ছ নদীর ধারে,
তোমার রেশমের পোশাক ছুঁড়ে ফেলো এবং স্রোতে ভেসে যাও!
আমাদের উপত্যকাগুলো গ্রীষ্মকে তার মহিমায় ভালোবাসে ।
আমাদের চারণ কবি-গায়করা বিখ্যাত যারা রূপালী তারে বিমুগ্ধ করে:
আমাদের তরুণরা দক্ষিণের গাঁইয়া যুবকদের চেয়ে সাহসী,
আমাদের কুমারীরা প্রাণবন্ত নৃত্যে আরো সুন্দরী ।
আমাদের গানের অভাব নেই, না আনন্দদায়ক বাদ্যযন্ত্র,
না মিষ্টি প্রতিধ্বনি, না স্বর্গের মতো স্বচ্ছ জল,
এমনকি প্রচণ্ড গরমের বিরুদ্ধে লরেল পুষ্পস্তবকও নয় ।
To Summer by William Blake - Poems | Academy of American Poets
ছবি: https://en.wikisource.org/
https://poets.org/poem/summer-2
https://allpoetry.com/To-Summer
https://poemanalysis.com/william-blake/to-summer/
Monday, 1 September 2025
Love Is (ভালোবাসা হচ্ছে)
Some people forget that love is
tucking you in and kissing you
"Good night"
no matter how young or old you are
Some people don't remember that
love is
listening and laughing and asking questions
no matter what your age
Few recognize that love is
commitment, responsibility
no fun at all
unless
Love is
You and me.
— by Nikki Giovanni
ভালোবাসা হচ্ছে
— নিকি জিওভানি
কিছু মানুষ ভুলে যায় যে ভালোবাসা হচ্ছে
তোমাকে কম্বল দিয়ে ঢেকে দেওয়া আর চুমু খাওয়া
"শুভ রাত্রি"
তুমি যতই তরুণ বা বৃদ্ধ হও না কেন
কিছু মানুষ মনে রাখে না যে
ভালোবাসা হচ্ছে
শুনা, হাসা এবং প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা
তোমার বয়স যাই হোক না কেন
খুব কম লোকই উপলব্ধি করে যে ভালোবাসা হচ্ছে
প্রতিশ্রুতি, দায়িত্ব
মোটেও মজা নেই
যদি না
ভালোবাসা হচ্ছে
তুমি আর আমি ।
উৎস: https://www.poetrysoup.com/famous/poem/love_is_23160
Thursday, 28 August 2025
The Sun Has Long Been Set (সূর্য অনেক আগেই অস্ত গেছে)
The sun has long been set,
The stars are out by twos and threes,
The little birds are piping yet
Among the bushes and trees;
There’s a cuckoo, and one or two thrushes,
And a far-off wind that rushes,
And a sound of water that gushes,
And the cuckoo’s sovereign cry
Fills all the hollow of the sky.
Who would “go parading”
In London, “and masquerading,”
On such a night of June
With that beautiful soft half-moon,
And all these innocent blisses?
On such a night as this is!
by Willliam Wordsworth (1770 - 1850)
সূর্য অনেক আগেই অস্ত গেছে
কবি: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ
অনুবাদ: মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল
সূর্য অনেক আগেই অস্ত গেছে,
নক্ষত্রগুলো দুই-তিনটি করে দেখা যাচ্ছে,
ছোট পাখিরা এখনো কিচিরমিচির করছে
ঝোপঝাড় এবং গাছের মধ্যে;
একটি কোকিল এবং একটি বা দুইটি গানের পাখি আছে,
আর দূরবর্তী বাতাস তীব্র বেগে অগ্রসর হয়,
এবং জলরাশির কলকল শব্দ
আর কোকিলের রাজকীয় আর্তনাদ
আকাশের সমস্ত ফাঁপা জায়গা পূর্ণ করে ।
কে "কুজকাওয়াজে যাবে"
লন্ডনে, "এবং ছদ্মবেশে,"
জুনের এমনই এক রাতে
ঐ সুন্দর নরম অর্ধচন্দ্রের সাথে,
আর এই সব নিষ্পাপ স্বর্গসুখগুলো?
আজকের মত একটি রাতে!
উৎস: https://poets.org/poem/sun-has-long-been-set , English Literature
Saturday, 23 August 2025
ইউরেনাসের আরেকটি নতুন চাঁদ আবিষ্কার
ছবি: Pam Gregory ।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নাসা এর জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে বরফ দৈত্য ইউরেনাস গ্রহের বলয়ের ভিতরে লুকিয়ে থাকা আরো একটি ছোট চাঁদ S/2025 U1 আবিষ্কার করেছেন । যুগান্তরী এ আবিষ্কার দূরবীক্ষণ যন্ত্রটির অতুলনীয় অবলোহিত সংবেদনশীলতার ক্ষমতাকে তুলে ধরে আমাদের বাইরের সৌরজগতের অদৃশ্য বস্তুকে সনাক্ত করার জন্য এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার চিহ্ন প্রদান করে । আসলেই, ওয়েব দূরবীক্ষণ যন্ত্র এ নতুন চাঁদ আবিষ্কারের ফলে এক মহাজাগতিক বিস্ময় এনে দিয়েছে, যার ফলে গ্রহটির চাঁদের সংখ্যা ২৯ এ পৌঁছেছে । সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি গবেষক দল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দের ২রা ফেব্রুয়ারি জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্রের নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরার (NIRCam) সাহায্যে দশটি ৪০ মিনিটের ইনফ্রারেড এক্সপোজারের মাধ্যমে চাঁদটি সনাক্ত করেছে । এ ক্ষুদ্র চাঁদ ইউরেনাস গ্রহের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে । এটি এতোটাই ক্ষীণ এবং ছোট যে, ভয়েজার ২ মহাকাশযান বা হাবল দূরবীক্ষণ যন্ত্রের পক্ষে সনাক্ত করা যায়নি । S/2025 U1 চাঁদ ইউরেনাস গ্রহের কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩৫০০০ মাইল (৫৬০০০ কিঃমিঃ) দূরে কক্ষপথে ঘুরছে, যা ওফেলিয়া চাঁদ (Ophelia) এবং বিয়ানকা চাঁদের (Bianca) কক্ষপথের মধ্যে অবস্থিত । আবিষ্কৃত চাঁদটি ইউরেনাস গ্রহের জটিল কাত, বলয় এবং উপগ্রহ ব্যবস্থার মধ্যে ১৪তম অভ্যন্তরীণ চাঁদ । এ চাঁদের প্রায় বৃত্তাকার কক্ষপথ ইঙ্গিত দেয় যে, এটি সম্ভবত অবস্থানস্থলে গঠিত হয়েছে । উল্লেখ্য যে, পৃথিবীর চাঁদের ব্যাস ২১৫৯ মাইল এবং আমাদের সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্যাস দানব গ্রহ ও গ্রহদের রাজা বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় ও ভারী গর্তযুক্ত গ্যালিলীয় চাঁদ গ্যানিমিডের (Ganymede) ব্যাস হচ্ছে ৩২৭০ মাইল ।
তথ্যসূত্র: FoundryX Daily Updates, cnet.com , Astronomy World ।
Friday, 22 August 2025
The Road Not Taken (যে পথে যাওয়া হয়নি)
Two roads diverged in a yellow wood,
And sorry I could not travel both
And be one traveler, long I stood
And looked down one as far as I could
To where it bent in the undergrowth;
Then took the other, as just as fair,
And having perhaps the better claim,
Because it was grassy and wanted wear;
Though as for that the passing there
Had worn them really about the same,
And both that morning equally lay
In leaves no step had trodden black.
Oh, I kept the first for another day!
Yet knowing how way leads on to way,
I doubted if I should ever come back.
I shall be telling this with a sigh
Somewhere ages and ages hence:
Two roads diverged in a wood, and I—
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference.
by Robert Frost (1874-1963)
Source: English Literature (Facebook page),
https://poets.org/poem/road-not-taken
~~~~~~~~~~~~~~~~~
"The Road Not Taken" হচ্ছে কবি রবার্ট ফ্রস্টের একটি আখ্যানমূলক কবিতা, যেটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান ম্যাগাজিন Atlantic Monthly এর সংখ্যায় এবং পরবর্তীতে ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ফ্রস্টের কাব্যগ্রন্থ Mountain Interval এর প্রথম কবিতা হিসেবে । বিখ্যাত কবিতাটি আমেরিকান কবি রবার্ট লি ফ্রস্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় রচনাগুলোর মধ্যে একটি । এ কবিতাটির কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু হচ্ছে: এটি এমন এক পথ যে পথ কেউ নেয়নি । এর মানে পথের ভিন্নতা, আক্ষরিক এবং রূপক উভয়ভাবেই । যদিও এটির ব্যাখ্যা জটিল ।
Tuesday, 5 August 2025
সুপারনোভা: মহাবিশ্বের চূড়ান্ত আতশবাজি!ভাবুন, একটা তারা, যে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে নিঃশব্দে ঝিমিয়ে পড়ে না—বরং মহাবিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়ে এমন বিস্ফোরণ ঘটায় যে আকাশ আলোকিত হয়ে যায়! সুপারনোভা কী? একটা তারার জীবনের শেষে যখন সে বিস্ফোরিত হয়, তখন ঘটে সুপারনোভা। এই বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী যে কয়েক সেকেন্ডের জন্য একটি পুরো গ্যালাক্সির সমস্ত তারার চেয়েও বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে! এর আলো লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ দূর থেকেও আমাদের টেলিস্কোপে ধরা পড়ে। আর এই বিস্ফোরণ শুধু আলোর খেলা নয়, এটা মহাবিশ্বের বিস্ময়! বিশাল বিস্ফোরণ।বৈশিষ্ট্য: এই সুপারনোভা সবসময় একই উজ্জ্বলতায় জ্বলে, তাই বিজ্ঞানীরা এদের দিয়ে মহাবিশ্বের দূরত্ব মাপেন। এটা যেন মহাবিশ্বের একটা "মোমবাতি"!
এই বিস্ফোরণে কোনও কিছুই বাকি থাকে না—পুরো তারাটাই ধ্বংস হয়ে যায়।এই বিস্ফোরণের পর প্রায়ই একটা নিউট্রন তারা বা ব্ল্যাক হোল তৈরি হয়।এই বিস্ফোরণে তৈরি হয় লোহা, সোনা, ইউরেনিয়ামের মতো ভারী মৌল।সুপারনোভা কখনও কখনও গামা রশ্মি বিস্ফোরণ (Gamma-Ray Burst) তৈরি করে, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আলোর ঝলকানি!সুপারনোভা আলোর খেলা । সুপারনোভার ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন তারা আর গ্রহ তৈরি হয়। আমাদের পৃথিবী, সূর্য, এমনকি আমাদের শরীরের অণু-পরমাণুও একদিন কোনও সুপারনোভার ধুলো ছিল! তবে এর গামা রশ্মি পৃথিবীর ওজোন স্তর ধ্বংস করতে পারে। সুপারনোভা এত উজ্জ্বল যা মহাবিশ্বের একটা শিল্পকর্ম! কেন সুপারনোভা এত আকর্ষণীয়? সুপারনোভা শুধু একটা বিস্ফোরণ নয়, এটা মহাবিশ্বের জন্ম-মৃত্যুর চক্রের একটা অংশ। একটা তারার মৃত্যু আরেকটা নতুন গ্রহ বা তারার জন্ম দেয়। এটা যেন মহাবিশ্বের ফিনিক্স—ছাই থেকে উঠে আসা নতুন জীবনের গল্প।মহাবিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দৃশ্য ।
সুপারনোভা: মহাবিশ্বে চূড়ান্ত আতশবাজির প্রদর্শন!
কল্পনা করুন এমন একটি তারা যা তার জীবনের শেষের দিকে কেবল চুপচাপ ম্লান হয়ে যায় না - এটি মহাবিশ্বকে কাঁপিয়ে দেয় এবং একটি বিস্ফোরণ ঘটায় যা আকাশকে আলোকিত করে!
সুপারনোভা কী? যখন একটি তারা তার জীবনের শেষের দিকে বিস্ফোরিত হয়, তখন এটি বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণটি এত শক্তিশালী যে কয়েক সেকেন্ডের জন্য এটি একটি সম্পূর্ণ ছায়াপথের সমস্ত তারার চেয়েও উজ্জ্বলভাবে জ্বলে ওঠে! লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ দূর থেকে আমাদের টেলিস্কোপগুলি এর আলো ধারণ করে। এবং এই বিস্ফোরণ কেবল আলোর খেলা নয়, এটি মহাবিশ্বের একটি নতুন ঘটনা!
একটি বিশাল বিস্ফোরণ।
বৈশিষ্ট্য: এই সুপারনোভাগুলি সর্বদা একই উজ্জ্বলতায় জ্বলে, তাই বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের দূরত্ব পরিমাপ করতে এগুলি ব্যবহার করেন। এটি মহাবিশ্বের একটি "মোমবাতির" মতো!মজার তথ্য: এই বিস্ফোরণে কিছুই অবশিষ্ট থাকে না - পুরো তারাটি ধ্বংস হয়ে যায়।
এই বিস্ফোরণের পরে প্রায়শই একটি নিউট্রন তারকা বা কৃষ্ণগহ্বর তৈরি হয়।
মজার তথ্য: এই বিস্ফোরণটি লোহা, সোনা এবং ইউরেনিয়ামের মতো ভারী উপাদান তৈরি করে।
সুপারনোভা কখনও কখনও গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ ঘটায়, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আলোর ঝলক!
সুপারনোভা হল আলোর এক খেলা। সুপারনোভার ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন তারা এবং গ্রহ তৈরি হয়। আমাদের পৃথিবী, সূর্য, এমনকি আমাদের দেহের পরমাণু এবং অণুগুলিও একসময় সুপারনোভা ধুলো ছিল!
যাইহোক, এর গামা রশ্মি পৃথিবীর ওজোন স্তর ধ্বংস করতে পারে।
সুপারনোভা এত উজ্জ্বল যে তারা মহাবিশ্বে শিল্পের একটি কাজ!
সুপারনোভা কেন এত আকর্ষণীয়? সুপারনোভা কেবল বিস্ফোরণ নয়, তারা মহাবিশ্বের জন্ম-মৃত্যু চক্রের অংশ। একটি নক্ষত্রের মৃত্যু আরেকটি নতুন গ্রহ বা নক্ষত্রের জন্ম দেয়। এটি মহাবিশ্বের ফিনিক্সের গল্পের মতো - ছাই থেকে নতুন জীবনের উত্থানের গল্প।
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ জিনিস
Monday, 4 August 2025
The Rose Family (গোলাপ পরিবার)
The rose is a rose,
And was always a rose.
But the theory now goes
That the apple's a rose,
And the pear is, and so's
The plum, I suppose.
The dear only knows
What will next prove a rose.
You, of course, are a rose -
But were always a rose.
by Robert Frost
গোলাপ পরিবার
কবি: রবার্ট ফ্রস্ট
অনুবাদ: মুহাম্মদ আস্রাফুল আলম সোহেল
গোলাপ তো গোলাপই,
এবং সবসময় গোলাপই ছিল ।
কিন্তু এখনকার তত্ত্ব অনুযায়ী
আপেলটি একটি গোলাপ,
আর নাশপাতিও, এবং তাই
আমার মনে হয়, বরই ।
প্রিয়তমাই কেবল জানে
এরপর কি প্রমাণিত হবে একটি গোলাপ ।
তুমি, অবশ্যই, একটি গোলাপ-
কিন্তু সবসময় গোলাপই ছিলে ।
উৎস: https://mypoeticside.com/show-classic-poem-10737 ।
আমার প্রণয়িনীর চোখ সূর্যের মত নয়
My mistress’ eyes are nothing like the sun (Sonnet 130) -------- William Shakespeare , 1564 –1616 My mistress’ eyes are nothing like the ...
-
মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সোনারং ইউনিয়নের সোনারং গ্রামে অবস্থিত এই জোড়া মন্দিরটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রাচীন বাংলার এক অপূর্ব প্রত্নতা...
-
জংলি ঢেঁড়স হচ্ছে গুল্মজাতীয় বুনো ভেষজ উদ্ভিদ । এর বৈজ্ঞানিক নাম: Abelmoschus moschatus এবং সমনাম Hibiscus abelmoschus । এটি Malvaceae পর...
-
এ বিশাল মহাবিশ্ব অনেক গোপনীয়তা ধারণ করে । উপবৃত্তাকার বা বৃত্তাকার দানবীয় ছায়াপথগুলো সময়ের সাথে সাথে তাদের রূপ পরিবর্তন করে । এরা কখনো বেশ...




